সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্ট

মানুষ

আপনি কোন হাত দিয়ে মাস্টারবেট করেন? ডান না বাঁ? শরীরের সবকটি অঙ্গ সচল? বাকি কটা মুখ আর মোছা বাকি? হার্ড ড্রাইভ নয় শরীর কোষের। থার্টি টু বাই থার্টি দু চার বিয়াল্লিশ জুন। আপনি জানেনই জানতেই এ সপ্তাহের শেষ সপ্তাহে আর একটা মাত্র মাত্র মাথা বেহাতা তালুর তদ্ বির
বীরত্বের বয়স বাড়লে দেশ আয়নার সামনে দাঁড়ায়। কাঁপে কাঁদে কখনো মাথা ঝুঁকিয়ে একান্তই বেকায়দা। তবে জানেন তো এভাবে চলতে চলতে এভাবে না মানা ফসল মুখ বোম সখের পরিচায়ী
কিছু মানুষ ঘুমাতে ঘুমাতে হঠাৎ একদিনই তাদের সবার কাঁধে একটা করে গামছা দিয়েছেন হাগামোতার সামান সামান্য মাজন সকালে পোহালে বুকের কাশ রক্ত
ও! দিনদয়াল হাতি পোষো হাতি। কবিরাজ ঘরের মেয়ে বড় হলে বাপ মা দেহাই
বাকিসব নীনবর্তী। এই যে সারা শহর জুড়ে অ পরিকল্পনা। মৃতদেহ
কাশ! একটাও পপুত্র সমীর দেহ ঘটনা গণণা ছবি। আর একটু দূরে গিয়ে পড়লে কি নিজেকে মানুষ মনে হবে? আপনার নয়। আপনার

         ।।অহনা সরকার।।
              #২০২০

সাম্প্রতিক পোস্ট

রি হ্যাব

তখন তুমি ঘুমের মধ্যে দূর থেকে দেখতে পাবে হেঁটে আসছে কয়েক পা। কাছে কেউ নেই, এমনকি পরণেও সাদা কয়েক ফালি জড়ানো মেঘ তাদের গায়ে গায়ে হাতে মুখে, যেন পড়ে গিয়ে ব্যাথা পাবার দাগ। ততদিনে আলো হয়ত চারধার, ঘন কালো ধূসর চোখ কচলে কচলে যতবারই জলের ছিটে। জল বলে আলাদা কি কিছু! গাছের কান্ডে নখ দিয়ে চিরে, ওই পড়েছিলাম না পাহাড়ী বা মরুভূমির গল্পে, সেখানে সারি সারি কাঁটাগাছ। যে মাটি নিজের ভার বইতে না পেরে একসময় ক্লান্ত হতে হতে কাঁধ যেমন, নামিয়ে নিয়েছে হয়ত শিকড়। কিন্তু আমাদের কি! আমরা জল খাই বোতলে তারপর ছুঁ উউ ড়ে সেটা। হাঁটার ফাঁকে পায়ের গজ ছেঁড়া টেবিল আর কালিতে মাখামাখি। কিন্তু ওই যে, কান শুনতে শুনতে
ঘুমের মধ্যে শোনা যায়। তুমি শুনতে পাবে যদি চাও, একটা কুকুর খুব আল তো আধো সহস্রে তার পাশের কোথাও অন্ধকারই, টুকরো ঝিমানো কয়েকটা লতাবাড়ি দেবতা দেবতা ছয়লাপ। বাঁকা চোখ হেঁটুরে কাপড় গামছায় বাঁধা দুটো মুঠি তে কি যেন! কে যেন! জানতে চেও না পা পা তুলে ও ওই ও ই দেখো ......
"আ আ মি আ  ........ " কিন্তু ততদিনে তো আমরা বধির এমনকি আমরা কথা বলিও অচেনা ও র শব্দ চেনা ভাষায় কানের চোখে মুখে ......

যদি ঘুম ভাঙা ডাকতে যদি …

সহ য়া

বেঞ্চ, প্লাটফর্মের ফাঁকা আলো গলে, নীল বহুদূ উ উর উত্তরে। তার স্কাটের রঙ টাও, সফেদ, ওপরের ফ্রকে মাঝের দুটো বোতাম আড়াআড়ি। ঘন রোঁয়া ওঠা বাদামী ব্যাগ, টেরাকোটা। দু'হাতের ভাঁজে, বাদামী টুপি, জিভের অর্ধেক টা বেরোনো, বড় বড় ডুকরে চোখ, ঘি রঙ, কান ঝোলা, আকাশী শার্ট টা গাঢ় নীল ট্রাউজারের কোমর জড়িয়ে, পায়ে কালো বুট .......  বুকের ঘনদূরে একমনে এই টেডি র চুলে হাত বোলাতে বোলাতে
কোথায় যাবে?
প্রশ্নটা এখন ছড়াছড়ি। টুকরো হাতের বাড়ানো কানা

বড় দোকানের পাশেই সিঁড়ি টা, সারারাতের আলো, মরচে রঙা, কয়েক পা ছেড়েই হাজারো জাহাজী ঝিনুক। মাথা মুড়ে, পা, ক্রমাগত শব্দের এক নাগাড়ি  ........

পরের ট্রেন আজ কিছু আগেই ছাপান্ন র কাঁটা বাঁ ঠেলতে ঠেলতে
আমরা কি একে অন্যকে! পরিচয়?

ঘুমন্ত। তালের হাওয়া। খেতে বসার চারপাশে নুন লেবু, জল এই যেমন এখন
কোনাকুনি দূরত্ব নিধান। আমরা ঘ্রাণ শুনি গাঁ গঞ্জের কোনো উপত্যকা নদী রাতচিল জল ঠায় দাঁড়ানো ঘন সবুজ কুয়াশা য়


                ।।অহনা সরকার।।
                   #নভেম্বর'

অন্তঃ স্থ এক

অনেক আগে রাত্তিরে ঘুম ভেঙে উঠলে মুঠো ফোনের চিৎকার। খুব কাছে কাছাকাছি কেউ নেই, একমাত্র একটা হাতঘড়ি, দেওয়ালে লাগানো গত মরসুমের গলাকাটা বাহান্ন দেবীর কোনো এক, আর আলতো খুব আলস্যে এসে পড়া একটুকরো আঁধার। গাছের লতানে দড়িগুলো, বিচ্ছিন্ন পাখায় কোনো ময়ূরী যেন! ঘুমের শব্দ এমনই, খুব কাছ থেকে শুনলে ধাতবো রোজগার খালি পায়ে বিনা পরিশেধক যুগ যুগান্ত ঘামতে ঘামতে এই দেখো এখন খালি হাত। আধ পড়া মেলাটাও কোথায় যেন কিভাবে! শব্দের হাতে যদি একটা বাঁশি থাকত যদি চোখ বিনা ডাকনামেই

এখনও রহরের গান ভেসে আসে? মাসকলাইয়ের আধছাড়ানো মুখ! মন্দিরের গায়েই একটা ঘাট ছিল, একদম নিজের, অন্তস্থ আর এক নীল পরি সুখচানের গল্প।

বোধিমন্ত্র প্রজ্ঞাসম। পক্ষাঘাত জুড়ে রাজায় রাজায় টুকরোও যদি পাও, যদি আশি শতক জুড়ে একটাই, একটা শ্লেট। বামানগরী আঁচল সরিয়ে, আধরাখা মহান্ত
খুব ঘাম হলে বুঝি জ্বর আসছে তোমার, আবারও


                ।।অহনা সরকার।।
                   #নভেম্বর'

ছ' অন্ন

দেখ তো শরীরখানি সর্বস্ব তুলে কেমন, জলওঝরণার
শব্দ, জল ঝরণা দু হাতের মুঠোয়, মুঠ ছড়িয়ে ছিটিয়ে
ছড়ানো কাঁচপাখির নাগে, নলসি স ওও ই কি গো গো ও? ও!
সেই আস্ন সেই আ! বাদলের গাছে র আর তার। পোহালে রাত পোহালে,
রাত আর তার ঘুনসিতে কই গো! এ দিকে এদিকে এই যে জোড়ায় জগাছ
ছায়ের লতা। তাল পড়ে গো ধূ উপ, প্রথম শব্দটা বেগুনী, তারপর নীল
হাত হত্যা আলো। আল বেশে বেশ বে এএএ বশ নারী অধর আকন্ঠ মালায় আ! হহ্
হুইসেল বাজে। হুউউ ই সেল। ল কে শুনলে ল ল, কে?
আগামী এক চিটানো হার, বামের গা মুছে, মোছানো হাত।
সর্দার, পাঁচ টা বারো, এসো উঠি

#
এই যে এখন কথা বলতে বলতে, বলা কে যদি, যদি বলা।
এই যে এখন যারা রাস্তায়, রাশির হাত, রশির দড়ি, বলছে। মাথা তুলে দেখ,
প্লেন শব্দ আসলে কোনো হাওয়া নেই, নে এএএ ই একমাত্র।
অনেকটা ধাঁধা লাগলো কি? মুড়তে মুড়ে রাখা পানের গোছ, রোজ জলের আগে
গায়ে কাঁদুনি গাইলেও।  কাকের প্রথম পাখিটা মোচনের রাগ, গ্রাস সূর্যবেশে।
সবার সাথে একটাই কান হাত ঠোঁটবীর

#
তখন তুমি ছিলে না, তখন র, বিশ্বে একটাই পাঁচ থাকে। মোহনা ঘড়ির কাঁটায় মেলানো
হরি ই ইই বলো বোল বোল,  বলো ব ল ও।  দৃঙ এর সাথে দ, দ্বার চৌপায়া রাহা
রাজ্য জয়ের পর, জাগা রা আ…

একটি মৃত জ্যা

কল্পনা করা যাক একটি বিচার ধর্মী সভাকক্ষ, মাঝরাতের কোনো এক সময়। দিনে এ কাজ করার যথেষ্ট ঝামেলা আছে, তাই। সভা সাজানো হয়েছে কাঠের পালিশ করা বেঞ্চে, তারই মধ্যে মোটা পুরু গদি আঁটা'য় সরকার বাহাদুর নিজে। হাতে একখানি সুদৃঢ় ভ্রমর। যে শাস্তি পাবে তার ওপর এটা নিক্ষেপে ভার

নদীর জল দেহ ব্যবসার সব ভারে। কিভাবে এই সত্যকে খাঁটি মানবেন। নদীকে জানতে চাওয়া বা তার জল বা যৌগ! পরিহিতা এক নারী এখন এই সভাকক্ষে। সমস্ত আশ্রয় তার নধর তন্নশ্রী উপচে জল, জলাধার বৃন্তবাসী শৈশব! আপনি কি অসুস্থ বোধ করছেন? বিচারক বাড়ানো রুমালে বার বার আড়ালে রাখা! এখানে হত্যা মামলায় আসামী যে, তাকে জানতে চাওয়া হল,
পূর্ণায়ব চাঁদের ঘরে দ্বিবিচারী, মা ঘর ছাড়লেন, দেহ হতে পসারিণী চরিত্র। একটু কি ছুঁতে পারি, হাতে?

বাকিটা অদৃশ্যমান। চোখ ঘুমে বোজা, চর্চা। পেরেকে কফিন পোঁতার গন্ধ। দেহটি খ রীয় ছিল বা! আ চার
নদী জল ভাসাম্য শৌ বিলাসের চাঁদ, স্তনে


                   ।।অহনা সরকার।।
                       #অক্টোবর'

তৎ সম

আচ্ছা, যারা যারা আমাকে বাদ দিয়েছে। যাদের যাদের টোপরে এখনও রতিসুখ পাঁচ বিনিময়ে। সবাই তাই জানত মহীদূর এ পাড়ারই ঘাম ছল চাতুরির ব কদম ঝরা ঝরা ক্ষেপ

এভাবে এই এখন চিৎ একটা গোটা আকাশ কিভাবে যেন! বড্ড নিঃসন্দের মতো কারা কারা একটা চাকায় গড়ানো দুটো পাখি হাঁস নয় জলে ওদের বারোবারো হামাস্য কলমির ধারে গুটিয়ে থাকা, সাপ বোঝো? সেই যে একটা আধো ঠোঁট দু'ভাগ মিথ্যে নিলে। মাড়ানো মাড়িয়ে মাড়িয়ে কি সব যেন

বিচ্ছেদ কি শুধু মাত্র জ ফলা বা একটা চোখ একটাই, পাহাড় ফেলে দিয়ে দেখো গোটা গোটা মানভূম জলের! সারারাত যে সমস্ত, বাকিটা তুলে রেখেছি মন্দিরের পা। সারাদেহ বৃদ্ধ পরিহিতা ঘুম বাক্স থেকে চাঁদ কি পুরুষ? 

সহজপাখির বাসায় বাঁধা ঘুমের কুশি উড়ন্ত। রাগ জেগে রয় বিজন অনল
কূপায় তবু বাদল ঝরে হরেক রকম নারী।  পাশার পাশি পিসি ও মাসি যাদের বরে অনন্ত লাল চুঁইয়ে ধরা বিফল কু ফল। বইছি বায়ে এখন দ্বি খাদ
নব ওও  ন  মা  আআ ঝি  ...........
পয়লা আষাঢ় কালিদাস মেনে প্রবল সন্ধ্যায় ডুবছে এ দহ

             ।।অহনা সরকার।।
                 #অক্টোবর'