সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ছ' অন্ন


দেখ তো শরীরখানি সর্বস্ব তুলে কেমন, জলওঝরণার
শব্দ, জল ঝরণা দু হাতের মুঠোয়, মুঠ ছড়িয়ে ছিটিয়ে
ছড়ানো কাঁচপাখির নাগে, নলসি স ওও ই কি গো গো ও? ও!
সেই আস্ন সেই আ! বাদলের গাছে র আর তার। পোহালে রাত পোহালে,
রাত আর তার ঘুনসিতে কই গো! এ দিকে এদিকে এই যে জোড়ায় জগাছ
ছায়ের লতা। তাল পড়ে গো ধূ উপ, প্রথম শব্দটা বেগুনী, তারপর নীল
হাত হত্যা আলো। আল বেশে বেশ বে এএএ বশ নারী অধর আকন্ঠ মালায় আ! হহ্
হুইসেল বাজে। হুউউ ই সেল। ল কে শুনলে ল ল, কে?
আগামী এক চিটানো হার, বামের গা মুছে, মোছানো হাত।
সর্দার, পাঁচ টা বারো, এসো উঠি

#
এই যে এখন কথা বলতে বলতে, বলা কে যদি, যদি বলা।
এই যে এখন যারা রাস্তায়, রাশির হাত, রশির দড়ি, বলছে। মাথা তুলে দেখ,
প্লেন শব্দ আসলে কোনো হাওয়া নেই, নে এএএ ই একমাত্র।
অনেকটা ধাঁধা লাগলো কি? মুড়তে মুড়ে রাখা পানের গোছ, রোজ জলের আগে
গায়ে কাঁদুনি গাইলেও।  কাকের প্রথম পাখিটা মোচনের রাগ, গ্রাস সূর্যবেশে।
সবার সাথে একটাই কান হাত ঠোঁটবীর

#
তখন তুমি ছিলে না, তখন র, বিশ্বে একটাই পাঁচ থাকে। মোহনা ঘড়ির কাঁটায় মেলানো
হরি ই ইই বলো বোল বোল,  বলো ব ল ও।  দৃঙ এর সাথে দ, দ্বার চৌপায়া রাহা
রাজ্য জয়ের পর, জাগা রা আহ য়া।  আরো কি একটু বাড়ানো যায়? কি গো?
আরও একটু লালের লাজ। বংশী মেনে বাসি বাসি দাসী, পরোয়া রেখো না, না!
না গো, ওগো চাঁদ দেখো ভুবনমোহিনী নীল অম্বরে, বরায় বরায় বাস ও লহিসের কূল

#
কাঁটা তারে বারোটা পাঁচ। সদ্য মারা গেছে। বুকের সাথে লটকানো হাত, বাবা বলতেন,
কানের পাশে একদম কোমর সমান, বিগত এক জলপোকা। জল

অবশ্য অস্থিত্ত্ব, স্থায়ী হাঁসমুখের ঘরগুলো, গুলে গুলে রাখা সলতে।
লাস্য হাস্য ভীষণ ভী ইই ষণ বেদিকার

#
এগুলোকে কি তুমি নিজের শব্দ বলবে! তাই কি?
বলবে! বলবেই?


                               ।।অহনা সরকার।।
                                 #অক্টোবর'

মন্তব্যসমূহ