সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অন্তঃ স্থ এক


অনেক আগে রাত্তিরে ঘুম ভেঙে উঠলে মুঠো ফোনের চিৎকার। খুব কাছে কাছাকাছি কেউ নেই, একমাত্র একটা হাতঘড়ি, দেওয়ালে লাগানো গত মরসুমের গলাকাটা বাহান্ন দেবীর কোনো এক, আর আলতো খুব আলস্যে এসে পড়া একটুকরো আঁধার। গাছের লতানে দড়িগুলো, বিচ্ছিন্ন পাখায় কোনো ময়ূরী যেন! ঘুমের শব্দ এমনই, খুব কাছ থেকে শুনলে ধাতবো রোজগার খালি পায়ে বিনা পরিশেধক যুগ যুগান্ত ঘামতে ঘামতে এই দেখো এখন খালি হাত। আধ পড়া মেলাটাও কোথায় যেন কিভাবে! শব্দের হাতে যদি একটা বাঁশি থাকত যদি চোখ বিনা ডাকনামেই

এখনও রহরের গান ভেসে আসে? মাসকলাইয়ের আধছাড়ানো মুখ! মন্দিরের গায়েই একটা ঘাট ছিল, একদম নিজের, অন্তস্থ আর এক নীল পরি সুখচানের গল্প।

বোধিমন্ত্র প্রজ্ঞাসম। পক্ষাঘাত জুড়ে রাজায় রাজায় টুকরোও যদি পাও, যদি আশি শতক জুড়ে একটাই, একটা শ্লেট। বামানগরী আঁচল সরিয়ে, আধরাখা মহান্ত
খুব ঘাম হলে বুঝি জ্বর আসছে তোমার, আবারও


                ।।অহনা সরকার।।
                   #নভেম্বর'

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন