সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রি হ্যাব


তখন তুমি ঘুমের মধ্যে দূর থেকে দেখতে পাবে হেঁটে আসছে কয়েক পা। কাছে কেউ নেই, এমনকি পরণেও সাদা কয়েক ফালি জড়ানো মেঘ তাদের গায়ে গায়ে হাতে মুখে, যেন পড়ে গিয়ে ব্যাথা পাবার দাগ। ততদিনে আলো হয়ত চারধার, ঘন কালো ধূসর চোখ কচলে কচলে যতবারই জলের ছিটে। জল বলে আলাদা কি কিছু! গাছের কান্ডে নখ দিয়ে চিরে, ওই পড়েছিলাম না পাহাড়ী বা মরুভূমির গল্পে, সেখানে সারি সারি কাঁটাগাছ। যে মাটি নিজের ভার বইতে না পেরে একসময় ক্লান্ত হতে হতে কাঁধ যেমন, নামিয়ে নিয়েছে হয়ত শিকড়। কিন্তু আমাদের কি! আমরা জল খাই বোতলে তারপর ছুঁ উউ ড়ে সেটা। হাঁটার ফাঁকে পায়ের গজ ছেঁড়া টেবিল আর কালিতে মাখামাখি। কিন্তু ওই যে, কান শুনতে শুনতে
ঘুমের মধ্যে শোনা যায়। তুমি শুনতে পাবে যদি চাও, একটা কুকুর খুব আল তো আধো সহস্রে তার পাশের কোথাও অন্ধকারই, টুকরো ঝিমানো কয়েকটা লতাবাড়ি দেবতা দেবতা ছয়লাপ। বাঁকা চোখ হেঁটুরে কাপড় গামছায় বাঁধা দুটো মুঠি তে কি যেন! কে যেন! জানতে চেও না পা পা তুলে ও ওই ও ই দেখো ......
"আ আ মি আ  ........ " কিন্তু ততদিনে তো আমরা বধির এমনকি আমরা কথা বলিও অচেনা ও র শব্দ চেনা ভাষায় কানের চোখে মুখে ......

যদি ঘুম ভাঙা ডাকতে যদি চেনায় থাকত। ও বলত "আমি গো, একাকালে ছিলাম এই তো জিভে ই তারপর কত কত গেল কেউ আর রাখল না তাই ঘুমে আসি মাঝে মাঝে। জেগে যেও না, জেগ না খব  র দার! ঘুমাও "
লিং লিং লিং লিং বিটুইন স্টার
মুন কল সাইনিনং
ডার্ক ক্যান সার্ভ
লিং লিঙা লিঙা লিং লিং
দেখো হাম হ্যায় ঘুম ঘুম যাও স্টার স্টার


কানের অল্প দূরে গুলির শব্দে মুখ বাড়িয়ে। ছেঁড়া খোঁড়া ময়লা দু'ফালি, বুলেট টা হা এর এঁফোড় ওফোঁড়। থাক থাক কথা বলো না। এখানে বাংলা বলা নিষিদ্ধ


         ।।অহনা সরকার।।
            #নভেম্বর'

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন