সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

June 1, 2018 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভৌগলিক

চাঁদের মুখে দেখা চাঁদ। প্রহর ভুল। গা গুলানো তরিকা আয়ত্ত করতে পারলে সজ্ঞানে পরপর

আরে! না না! পেঁচানো শাপের কাঁধে কাঁধে।
একটা ঈ সরিয়ে নিলে
বছরভোর উপায়ী মানুষেরা। সমার্থক হল কি?

গাছের নুপূরে বেজে ওঠে বারবাড়ি সুদূর

একটা সূর্য আর তার অনেক পঙ্খীরাজ। ভাগ শিখে আমি প্রথম জানলাম তফাৎ আসলে
দুপক্ষ


                                                                              ।।অহনা সরকার।।
                                                                                    #মে'

ভুল শব্দ

রেঞ্জ মাইল ফলক কবিতাটি একটা রেঞ্জার থেকে ধার করা। টাইট আঁসফাঁস কলের মুখে জমাজল জল জল
কচাৎ

স্টাইলটা চেনা হয়ে গেল কি?

আমি ঘৃণা করতেই চেয়েছি আপনি ভেবেছেন ভালবাসা।

সূদূর। ওপ্রান্ত খোলা। তালেদের মাথায়। গায়ে লাগলে মনে হয়
ডুবেছে এখানেই। শব্দগুবি। ধানেরঃ কান

পরিখার নিচে কখনও সাগর বসত। একবার এক যুদ্ধের রাতে ওই সিঁড়ি বেয়েই মীরজাফর চিনেছিলেন বসন্ত।
গোধূলির ফাঁক দিয়ে তাই আলোর ছায়া। এখনও আছে আমি ক্যামেরায় তুলেছিলাম সেবার

একটা মাছ আর গোটা বিশেষ মুড়ি। ওপর থেকে কে যেন বলছিল জল দাও আরো একটু কাছে। আর একটু


                                                                                           ।।অহনা সরকার।।
                                                                                                #মে'

দেহাত

বনতুলসী পাতার ওপর চোখ ঝরলে মাঝে মাঝে বন কাঁপে। সেই শর্তেই জানা। জানা এও চাকার ফাঁকে
বিহারীণির ফুলতোলা বুক
অস্পষ্ট ধাতু থেকে বিভক্তি সরিয়ে রাখলে

আমি আপনার কেউ নই। কেউ মানে কাক পক্ষী হাঁস পাতিহাঁস নকল শেকল এমন কি বিষও নই। একটা সময়
মাত্র। গত পূর্ণিমার কোন ছাদে ঘটে যাওয়া এক লক্ষ্যবস্তু ভুল। সময়কে মনে রাখা যায় না
দূর্বিচার হল তাকে ভুলেও রাখা যায় না।

থমকে থমকে ওঠা বিনিময়ী কাঁধ। নমস্কার নামানো।
চি ৎ শোয়া শব্দে
রাস্তা পেরিয়েছে মৃতদেহ। আমারই


                                                                                    ।।অহনা সরকার।।
                                                                                           #মে'

দমক

পোড়ার রোদ গন্ধ ওঠে চোখের কাছে।
আশনি দূরত্ব
ভালবেসে কখনও কাঁচকে মানুষ বলবেন না। পায়ের নখে, নখের পা আর আপনি
একটাই শব্দ বারবার বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তাকে নানা জায়গায় বললেন। নানা কথা
কিন্তু হাততালি পড়ল একটাই।

পিনের পাশে শোয়ানো নিঃস্তব্ধতা।

অহংকারী হ এ নাল থেকে ছিটকে পড়েছে ঘোড়া। দূর্বিত্তের লোভ এমনই। শাঁখ বাজছে


                                                                                         ।।অহনা সরকার।।
                                                                                               #মে'

তালপাতার

ভাললাগার কিছু হরকরা বোশ। গড় করা মুঠোয়
অচেনা অথচ কেমন যেন আধো
লতানে শিষ

এখন ভোর। পাতাদের জাগন উৎসব। হৈ রৈ শব্দে
মন মাতাল
ও! সংসার বলতে পুতুলদের কেউ হয় না। কোনো কাঠপাতার জঙ্গল
পরে পরে তখন বড়রাই শুধু মানুষ।

থমকে আসুন একটা পাহাড় চিনি। পথের বনযক্ষী


                                                         ।।অহনা সরকার।।
                                                              #মে'

তাল বে শ্য

শেষ শব্দটার ওপারেই বিস্কুট মুখে এক বাঁদর। দড়ি টানাটানি খেলায় আপনি হেরো। ড এর নিচে শূন্যকে
বসালেই। উপুড় পিঁড়িতে জলের গ্লাস, তালের পাখা
মা আনতে বারান্দা

"একটা করে দৃশ্য দেখলাম। যুদ্ধ করল, ক্যারাটে বাজ মাত্র"।

এগুলো প্রতিবার স্পর্শের এক আধ শাস্তি। মরে যাবার পর বিনাউপায়ী জাজ প্রতিরাতে স্বপ্নে আপনি এখনও
নিজেকে দেখেন। হিসেব মতো বারো বছর পেরোনোর পরই মেয়েরা বিধবা হয়


                                                                ।।অহনা সরকার।।
                                                                      #মে'

জানি না

হাসার আওয়াজ ভেঙ্গে গেলে হঠাৎ ই
কখনও ময়ূরীকে প্রশ্ন করে দেখেছো?
লালবাড়িটার যে মাথায়
বরদাও পাঠশিলা। হাঁটু মুড়ে ভাষাদের অবিকল

নেই একটা শব্দ। কিন্তু নেই সত্যি

যদি বেগুনক্ষেতের পাশে দাঁড়ান। অন্ধ! সব গাছেদের সরঞ্জামী চিলেকোঠা।
সন্ধি ভাঙ্গতে জানলে। আপনি প্রথমেই।

ছায়া আর দুধ আলাদা করা এক বলদের নাম বলুন। কাঠ বরং তালবেশ্য নয়

এই যে ঘোরানো সিঁড়ি। চাকার মতো। হাত রাখলে

রাতমুড়ে পানের সাজায়
একটা নাম জানি না। আপনি জানতেন? ঘাড়ের কাছে
চোখগুলো কেমন
চেনা যথই। পুংশেখর জেনে মাছিমারা।
বর ও আন্দাজ সমান চিহ্নের পরে আর কোন তালি হয় না যে!

কতগুলো সাদা। সবুজ গোল।
পায়েদের দেশে পাখিরা বনমক্ষী

যখন আর কিছু বলার নেই। সাদাটে দুটো কালো ডট.
শেষে বন্দেমাতরম বা জয় হিন্দ্ও দেওয়া যেতে পারে। তবে বালক হইতে সাবধান

আগে রোজ শুনতাম এখন মাঝে দেখি। আমার ওধারে আয়না আমিও। আলোকে কি করে প্রিজম বানানো
যায়। কলশ্রমিকদের ভাষায় একটা হ্যাঁচকা হলেই। পর পর হেঁই!

জলমুখে বিষম ছটফটে


                                                                      ।।অহনা সরকার।।
                                                                             #মে'

আজ

ওপারের কোন ঘরে এক আলো হাতে বসেছো তুমি। আলো দেখা দেয় না তাত লাগে। ঠোঁটের কোন চোখের
জিভ মদীরার ভাষা ভেঙ্গে ভেঙ্গে টুকরো লোক্কায়িত। হয়ত জানা ছিল না, হয়ত এভাবেই দেখার দোষে পাখিরা
হারিয়েছে বিলেত

সে মধু সময়ের কথা। ডাক হাসপাতালে বড় হচ্ছে। কড়িবর্গার ঘরের মাঝে খড়খড়ি জানলা। বসন্ত আসে
বাইরে। বিকেলগুলো করাতে শাঁখ রাখা
ওগো স্বেদ! একটা বিছানো বলেই কি পরের তাতে

দোয়াত রাখা হিমশৈলীর জগরে কিছু মৃত পোষাক। এভাবেই মনে রাখা হয়। পৃথিবীর সমস্ত মানুষ একদিন
পাখি হবে


                                                                ।।অহনা সরকার।।
                                                                     #মে'

অপলক্য

প্রশ্ন কিছু অচেনা। উড়ন্ত। আবরণ ভৌমিক। পৃথিবী অথবা ভূমিষ্ট ধরায়
বিন্দু কেন্দ্রও।

পারলৌকিক চর্চাকে আমরা অতীত বলি। অথচ রাগ থেকে বনমহিমা
বিপরীত। আগলা সূতোয় এইমাত্র

যদি জারণ হও অথবা। দৌত

এখানে আমি কেউ নই। এখানে স্বত্ত্ব অনেক আগেই দোষাভী। কয়েকটা তারিখ খোলা। কিছু মেঘ। সেবার বর্ষা
ছিল জমিয়ে। আমাদের টবে গানভাসি মহরম। কখনও ফুলতোলা জুতো দেখেছো? রাশভারী ভোর! সেদিন
সারা ছাদ
এই যে প্রতিটা অক্ষভূম তুমি! অথচ না জেনেই! ভাসা ভাসা। পাশের কাঁধ

অন্তস্তব থেকে মরণকামী শ্বাস বাজি রাখছে। বন্দীত্ব হোক সব নাম
এখানেই। এভাবে


                                                                     ।।অহনা সরকার।।
                                                                             #মে'

অ-ধারন

এ দূর সেই সুদূর বৃহৎ যার কোন রেখা নেই।
পাতার হালে
খারাপী দেওয়া নেওয়া। আড়ষ্ট ঝুঁকে
সুবিশালও এক নরম চৈতন্য। পোষাক নাই বা হল

ভাসতে ভাসতে উজানী দিকপাড়া। শহর তো নৌকারও। ছাপের পায়ে। দাঁড় মনে করেই দেখো, বেঁকেছে এক
কোমর। আমি ছবি দেখছিলাম। আকাশ নীল মাটি ঘেরা টব

বাসনওয়ালী মাথায় হাঁকানী নিয়ে বছরভোর। এ তুমি সেই স্বরভূম। ভেজা অভিক্ষার আদলে। ছটায় আলোটা
টুকরো! পেছোতে পেছোতে

অনন্ত বিশারদ। চৌদিকে ছড়িয়ে পড়েছে তার নেই। নেই! অদ্ভুত! এমন দানাবোধের পরই
আলোর হুমকি। সাজভোরে তাজ্য অজাতীয়

নালন্দার দক্ষিণ কোণে যে পিটুলি গাছগুলো রাতভোর
অসম বহিষ্কার


                                                                          ।।অহনা সরকার।।
                                                                                 #মে'


রা

এক বৃদ্ধ চক। খুঁড়িয়ে হাঁটা দখিন। কোজাগরী জোছনায়
স্লিম ছিপছিপে
তুলাযন্ত্রের হাড়ে।
সবচেয়ে বড় আধুলিটা কিন্তু আমি নেব। হাঁটুতে ফোঁপানো চোখ

একটা গুলতি ছিল! কবেকার। পূর্বরাগ শেষে আশ্রয়ী সিগারেট


                                           ।।অহনা সরকার।।
                                                     #মে'

আঠাশী শতাংশ

রোদ্দুরের খুব কাছে। যেখানে বিস্ফোরণ হারিয়েছে বোবা
যখন তুমি তোমার মতোনই
যৌনাঙ্গে কোন ভিড় নেই। খুব লম্বা একটা প্রেমের কবিতা।

সরল ইঙ্গিতে
ছায়া। ভাবনা শেষে

থেমেছ এই ভেবেই
গাছেরা বড় হলে

ভার্সিলেনা একটা কল্পনার শহর। সেখানে ব্ল্যাকআউটের পরে সবাই নদী খুঁজতে গেছিল। দুটো উল্কা কি করে যেন! ছুঁতে ছুঁতে
পরের বার আমরা দক্ষিণে যাব। সেবারেই শেষ। অতল কুশল বিনিময়ের পরে।  সমস্ত শষ্যক্ষেত ভরে উঠছে। কাঠকয়লায় আমি মুছে নিয়েছি বাকিটা। এক আশি পেরোনো নাবিক আর প্ল্যানচেট


                                       ।। অহনা সরকার।।
                                                 #মে'

পূর্বস্থলী

যেখানে ক্রমশ বদলে যাচ্ছে স্বর। উপন্যাসের এক চরিত্র, হালকা কমিয়ে নিতে গুলিবিদ্ধ রাত। খুব একটা কিছু এসে যায় না, কোন নির্দেশের মাঝে
এই যে দুটো বিপরীত ইউক্যালিপটাস। রক্তের গা বেয়ে

পর্ণমোচী দাঁতালের কথাই ধরা যাক। পোষাকী শকুন্তলা হাজারো হাজারো জনগণ নামক পলিথিনের ভেতরে
ভাষা কি বিজ্ঞান চিনছে? একদম অর্বথ্য নকল। পরিস্ফূটের আগেই

কল্পনার কিছু নিখুঁত জাদুকর, লাশকঙ্কালে ক্রমশ

স্মৃতি মাধ্যম ছাড়া আমরা আদতেই একমাত্র। কোরাস


                                 ।।অহনা সরকার।।
                                         #মে'

বিহনা

ঝড়ের মরে থাকা দেহ
নিয়ম মেনে মাছ ও মৎস কণ্যা।
আসলেই পরস্পর চড়াইয়েরা জানত শুধু বাবার নাম।

সোজা নলের মাথায় বকটা বসে।
ওর নাম বুর্জোয়া।
রিপিট প্লিজ। গো গো ডাউন স্লো। বিটুইন স্টেপ। জাস্ট ওয়ান। নেক্সট।
ছত্রভঙ্গ সশব্দে সকাল এইমাত্র জানলো স্বাধীনতা। আসুন কায়মনো হই

মৃত ঘরের পাশে। মূক ও
চলকে। অগ্নিহত উপবাস
সহমন


                                        ।।অহনা সরকার।।
                                               #মে'

শবদমুখ

জলের ফোঁটাটা তখন আহায়। নিঃশব্দ নামছে
আঙুলের তরিকা। কেউ কি রোদ বলল?
পথচারী আলতো কাঁধের 
পশ্চিমমুখো কিছু ঘাস বসেছে
ডাকলে?
তিতাস। ঘামের শোক
ক্যামেরায় দেখো, ওই পেঁপে গাছটার মাথায়!
উত্তরের আল
"তারপর বুঝলি তো সেই গল্পটা আর বড় হল না। সব্বাই একলা রেখে! ওই যে দেখ ছায়াটা! ও'রও কেমন ! তারপর সেই গল্পটার রাত, বুঝলি তো। ওরা"

পরের বাকিটুকু সাদা পাথরের নুড়িতে শোয়ানো রোদ্দুর। গাছেরা পাখিরা


                                ।।অহনা সরকার।।
                                       #মে'

ন' দশে এগারো তেরো

গাছের সাথে বিয়ে হলে আমি জানলাম সেও মানুষ ছিল।
তথাপি পরিবর্তন একধরনের ধার্য। জ ফলা সরিয়ে আলাদা করেছে রুকবা।
মন নেই। এমন এক অ্যামিবাকে কখনও জানলার ধারে রেখে দেবেন। তারপর সূর্য বদল
কাড়াকাড়ি মুঠোয় হাতেরা ছাড়াছাড়ি।
বোতলের মধ্যে জলকে প্রশ্ন করুন। তারপর তুলে আনা সপ্ত দর্জি
আর্বতে বিশ্বাসী মানুষ আমরা। শূন্য বাড়লে যোগ তুলে রাখে একটা নিঃশ্বাস ওঠা নামা করছে। পাহাড় পথে পাহাড়ী বদভ্যাস। ও র কোনো নাম নেই।
লালটুকটুকে। আলাদা করে নিন। নিলেন
এবার সোজা বঙ্গোপসাগর। মাঝনদীতে সাঁতার
নীলসাদায় কোনো যুদ্ধ নেই। আপাত দড়ি গলায় ফাঁস আকন্ঠ। খিদে মুখে মাছিরাও
মাকড়সাদের পাওয়া ভয়কে লেফ্টোফোবিয়া বলে। লেন্স খুললেন। আইরিশে পাঁচটা তারক চিহ্ন
পুংলিঙ্গে পুরুষ মানেই বাদামী প্রজাপতি।
হাত ভয় পেয়েছে এমন কোনো ঠোঁটে দাপাদাপি
ঈশ্বরের আলাদা নাম পুতুল

                                         ।। অহনা সরকার।।                                                  #মে'