সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

June 11, 2018 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সহন -১

অন্ধ। রাতপরিচ্ছেদে এখন বিবস্ত্র। শরীর রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে একসময় থেমেছে। একসময় চোখের পাতা
শহর কিংবা মৃতপোষাক

কিছুটা দীর্ঘের পর ছদ্মবেশী ধারণ। প্রতিটা আঙুল ছিঁড়ে স্তন্যপায়ী ভার। প্রতিতঃ! নধর কল্পনার ওপর থেকে
চোখ নেমে আসে। ধূলো ধূলো বালিঝড়, গরুর পায়ের ফাঁক দিয়ে! প্রাত্যহিক বিধবা তার আড়ালসন্তান বুকে
আগলে .........
একটা শীত! সিক্ত পথ। আপেল নুড়ি পেঁয়াজমেশানো সরাইখানার পাশে থেমেছেন যুধিষ্ঠীর। তিনি অধুনা
রাজ। কোনো ডানায় পাড়ি দেওয়া বিতন্ডা। আনা নেওয়া দেওয়া বা
হঠাৎ! হঠাৎই সমস্ত ভার মুষড়ে লতায় কাণাকাণি কৌণিক এক পেঁচা। তন্ন তন্ন গড়হাজিরি


                                            সহন-২
খুব ছোটো করে লেখা শাঁখবেলা। বাঁধানো দাঁতের ফাঁক, কচি বোলতার টুকরো। মনে হবে এখানেই। এ ভারেই
তুলসীতম চাহনি
তফাৎ! যত অচেনা ভাষায় লিখলে, ভাব ও

অনেকটা অনুশীলনের পর একসময় তুমিও। সদর দরজায় ঠেকানো বেপরব মহড়া। অস্তিক সূর্যামে রূপোলী
অন্তরায় কেঁদেকুঁদে পরখ নিচ্ছে এক সর্বহীন শরীর। শুধু আদলী তার। আরণ পরিহিতা

ভস্মের চারিদিকে। আচ্ছন্ন এমন এক পুরুষ, সর্বাঙ্গে ধারালো জোছন রঙ। দূরে কোন রাগপঞ্চী তিৎ চেঁরায়
জানাচ্ছে! সাদা, পাথর মেশানো মাটি…

ঞয়ঙ

উপস্বপ্ন ধার চাইছি। মৃত্যুবাসিক কুমারী। ঘাম
উপলমাথায় তর্কতিত খাতিরে যদি নামানো বৈ। পার ওপার
সু পারাপার। ক্লান্ত ছেড়ে আসুন পা মেলাই। চিৎকার রব্দে তুই জানিয়ে যাস
যাওয়া। ছই ও তার। যে মরদ বারোধানের গত রজস্রাব শেষে
তিলবেশি রোদে আলো জমলে

এ কে! এ কাকে দেখছেন নটরাজ! এ কি সেই! অধর চোবানো বিস্ময়। নিয়নবিরত
খোলা চুলের কাঁধ বেয়ে। তিনি কি একেই! একেই পরিয়েছিলেন বীরশুল্ক মন্দিরের প্রধানা বেশ! সদ্য রাত
প্রতিরোজ! প্রতি শাল
ঘাম স্রেন্দে। নারী!


                          ।।অহনা সরকার।।
                                   #জুন'




লভম

খিদে পায়। এমত বিবেচনা
কলসীর মোড়কে দেবতাগণ শুদ্র বিনিয়ম মেনে
পরের স্টেপেজেই। কাঁটাগাছের প্রতি স্মরণে। খড়ওঠা বাড়ি
সে সমস্ত রাজে আজ আর কোন পলশ নেই। হুমহুনা। রাস্তার বটে হেলানো কবিয়ারী গুমর
তখন সষ্টন্দে। পর্দা সরানো যে মুখটা। ভার অথওবা!

ঘুরতে ঘুরতে পশ্চিম তখন কোণের। বড়ড়ড় লম্বা মাথায় সবুজ বরক রাখা। চাকায় তিনটে টিকিট। দুটো আবার আমার সাথেই! বুঝলে! বুঝলে?
জলের শব্দ শব্দে ডিঙিয়ে যাচ্ছ। ভেজা
অল্প চোখ তুললে। অখন্ড আকাশ মাথা দান রেখেছে

পরেরগুলো টানা লিখতে। লি'কার। জাল চাল কেমন গোটা মুক্তো পঞ্চি! স্পর্শে তোমার বাদাম শুনি। মড়াৎ! ডালের প্রবল নিৎ
সেরা আর সবচেয়ে বাঁচোয়া। দক্ষিণ ধরে হাঁটতে হাঁ ট তে
ঘুমিয়ে ছায়ায়
কয়েকটা পালকও ধূলিমুড়ি। নতুন ব ডিঙা

একমাত্র লাইনের পদ্মেই। উল্টানো চিকন।


                         ।।অহনা সরকার।।

য ফল

জলের ওপর বিন্দুখানিক। মনে করো জলের চারপাশে বাড়ন্ত
কয়েকটা বাদামী খয়েরী অবেলা। দেয়া নেওয়া যায় না এমন বিরুদ্ধ পাতাঘরের সাথে
কথায় শুনলে। বুনন
ব্যাভিচারি দুপাট্টা। কাঁধের ফসল অভিরাম সর্দার এবারের সংখ্যামতে প্রথম। দুই দাঁড়ির পর

এখানে রাখা সমস্ত দুশো ঘরের। পরেরটা ফেললে, তার পর। তাবক! স্তাবক

সে বলত তোর লেখায় বড্ডই! বড্ডই
পাশ ফিরে দেখো জড়ন্তি আভরে আঙুর নেমেছে। আঙন ক্ষেত। সতী আর বকলম। দুব্বো গজানো সেই সব তেজপাতাদের সাথে শাড়িওয়ালা কখনই

সাজা এক বিন্দু। কোলের মহরম ফেলে কবি'বা। আসুন সহস্র হই। মনীরথ বরণে সপ্তকামী মড়ক ও তদানীন্তন।
একটা কি বেশি লেখা বাকি! অ


                              ।।অহনা সরকার।।
                                    #জুন'


রোদ্দুর

একটা সাদা ধবধবে কালো বিড়াল, অন্যটা কালো। গোড়ায় কিছু পুঁইমিটুলির দানা শষ্য ছড়িয়েছে। হেমন্তের দ্বন্দ্ব অনুযায়ী এখন দক্ষিণ মেরুতে বলয়াকরণ। নরম চাঁদ নদীপথে আরো কয়েক শ্রোক দক্ষিণপন্হী

পাঁচের বারো যোগ করলে, একটা শূন্য। অনটন ফলন্ত দান মিটিয়ে পুড়িয়ে সাফা গুদাম।

যদি গল্প হয়। কয়েকটা গাছ, কিছু কুঠার, এক দেবী।
গুটি গুটি কল্পনায়
শামুককাঠ!
অনেক আগেই চেপ্টানো। শিশু মৃত্যু


                             ।।অহনা সরকার।।
                                   #জুন'


না পাখি

রোজ ভাবি লাইনটা ভুলে গেছি! অথচ রোজ এক সূতো এসে দাঁড়িয়েছে পায়ে পায়ে।
বিমুগ্ধ তুঘলঘি মেঘ
ছড়ানো মদমিছিল। গাছটার পাশেই।
দুমড়ে মুচড়ে।  চমৎকার
আঙুল গুঁড়িয়ে চলেছে

এমনই এক অাসমান। চওয়া। ঘাসের ওপর
একই সাথে!
একদম পুনঃশ্চ ভবতু মাসিক ও মাস
নোংরা ঝুলন্ত শপার
ব্যাং!


                     ।। অহনা সরকার।।
                            #জুন'


ভরন্তীয়

রাতের অন্তে বাসমান শেষ। ফুলগর্ভে মৌমাছি জীবন। কোন অকাল
ধরো তোমার চুলের পার্শ্ববর্তী জরা।
পিছিয়ে পড়া চাঁদ
বাহারিয়ে বুক পকেট খুঁজে খুঁজে তেষ্টা নামক পরখ

অনেক দিন হল শুকনো পাতা গুঁড়িয়ে জানানো হয় না দাসত্ব। আড়চোখের
তেকোণা স্বপ্ন হাত ফস্কে
নাম ভুলে গেলে কিংবর্তী অথবা হিয়া

ছোট ছোট বড়দের কোন মানুষ হয় না। তালের বনে দহনীয়া
মোছানো তেষ।
আদরে তির তিরে

যদিও ভাবছি। ও তো আঁচ! পাশকেন্দ্রের মাদনে ধীর


                                                                           ।। অহনা সরকার।।
                                                                                      #জুন'

এরও পর

চালে উড়ে আসা রোদ্দুর, কয়েকটা শুকনো পাতা। কয়েকদানা খই
ফিরতি হাওয়ায় বাজিকরের মনকেমন। পালতোলা ছাঁচে দাঁড়িয়ে যদি রঙরবদল দেখা যেত। পাটের জলে!
কাঁচরঙা ভুল। মনে করতেই অধ্যায়ের পরের পাতা পাশ ফিরিয়ে। নাম না শেখা কয়েকটা বিলতি কুঁড়ি! আনমনেই তারপর

বিষদ একধরনের। না পোড়া তামাক কিছু
আঃশ্বাস!

এই যে রাখতে চেয়ে স্টেশন পা ঝুলিয়ে বসেছে। জলের দোকান, কাটা কাগজের ঘর। একটা চিৎকার খুব খুববব আস্তে আস্তে পায়ের নিচেই
সূত্র অনুযায়ী
সাপের খোলসে। বাকি বদলে নিয়েছে ডাকনাম
এরপর।


                                                                    ।।অহনা সরকার।।
                                                                            #জুন'